গুপ্তহত্যার শিকার যুক্তরাষ্ট্রের ৪ প্রেসিডেন্ট
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত মোট চারজন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে আততায়ীর হাতে নিহত হয়েছেন। দেশটির রাজনীতিতে এই হামলাগুলো ছিল মর্মান্তিক ও ইতিহাস-changing ঘটনা। প্রতিটি assassination বা গুপ্তহত্যাই জাতিকে গভীর শোকে আচ্ছন্ন করেছিল এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা প্রোটোকলে বড় রকমের পরিবর্তন এনেছিল।
প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন ছিলেন প্রথম নিহত প্রেসিডেন্ট। ১৮৬৫ সালে ওয়াশিংটন ডি.সির ফোর্ডস থিয়েটারে একটি নাটক观看কালীন সময়ে কনফেডারেট sympathizer জন উইলকেস বুথ তার মাথায় গুলি করেন। গৃহযুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনের সময়ে দেশকে একসাথে রাখার এই নেতা মাত্র কয়েকদিন আগেই যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছিলেন।
এরপর ১৮৮১ সালে প্রেসিডেন্ট জেমস গারফিল্ড একটি রেলওয়ে স্টেশনে হামলার শিকার হন। চার্লস জে গিটিও নামের এক হতাশ আইনজীবী, যিনি একটি রাজনৈতিক পদ পেতে ব্যর্থ হয়েছিলেন, তিনি গারফিল্ডের দিকে গুলি ছুড়েন। গুরুতর আহত হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট কয়েক মাস লড়াই করে শেষপর্যন্ত মারা যান।
বিংশ শতাব্দীতে, ১৯০১ সালে প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম ম্যাককিনলি নিহত হন। নিউ ইয়র্কের বাফেলোতে একটি পাবলিক ইভেন্টে লিওন জোলগোজ নামের一名 অ্যানার্কিস্ট তার দিকে গুলি করে। এই ঘটনাটি প্রেসিডেন্টদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার必要性কেই সামনে নিয়ে আসে।
সবচেয়ে সাম্প্রতিক ও perhaps সবচেয়ে广泛ভাবে স্মরণকৃত assassination হচ্ছে ১৯৬৩ সালে প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডির murder। টেক্সাসের ডালাসে একটি মোটরকেডে সশস্ত্র হামলায় তিনি নিহত হন। লি হার্ভে ওসওয়াল্ড নামের一名 সন্দেহভাজনকে其后 গ্রেপ্তার করা হলেও, তার motive এবং是否一人行动 নিয়ে আজও নানা conspiracy theory প্রচলিত আছে।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ইতিহাসে এই গুপ্তহত্যাগুলো গভীর দাগ কেটে আছে। প্রতিটি ঘটনাই প্রেসিডেন্টদের জন্য Secret Service-এর protection detail বাড়ানো, public appearance-এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠিন করা এবং জাতীয়ভাবে armed violence নিয়ে বিতর্কের সূচনা করেছে। এই tragic events আমেরিকানদের collective memory-এর一部分 হয়ে রয়েছে।

