বিদ্যুৎ সংকটের অবসান কবে? প্রতিমন্ত্রীর মুখে সময়সীমা
রাজধানীসহ সারাদেশে চলমান তীব্র লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি কবে কমবে, তার একটি সময়সীমা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, আগামী জুন মাসের মধ্যেই পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নতি ঘটবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বেড়েছে, কিন্তু জ্বালানি তরল গ্যাস (এলএনজি) আমদানির ঘাটতি এবং গ্যাসের চাপ কম থাকার কারণে预期 উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছিল না। তবে এই সংকট থেকে মুক্তির পথও খুঁজে পাওয়া গেছে।
জ্বালানি সংকট সমাধানে সরকারের পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি। কুয়েত ফান্ডিংয়ের একটি প্রকল্পের আওতায় আমরা গ্যাসের চাপ বৃদ্ধির কাজ করছি। এছাড়াও, মে মাসের মধ্যেই পায়রায় আরও একটি এফএসআরইউ (তরলীকৃত গ্যাস বাহী বিশেষ জাহাজ) আসবে, যা জ্বালানি সরবরাহ বাড়াতে সাহায্য করবে।"
নসরুল হামিদ আরও যোগ করেন, "এলএনজি আমদানির জন্য আমরা দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করছি, যা ভবিষ্যতে এই ধরনের সংকট থেকে রক্ষা করবে। আমরা আশা করছি, মে মাসের শেষ নাগাদ পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হতে শুরু করবে এবং জুন মাস নাগাদ লোডশেডিং প্রায় থাকবে না বললেই চলে।"
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানির অভাবে দেশের অনেক পাওয়ার প্ল্যান্টই তাদের পুরো ক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছিল না, যার ফলে বাড়তি চাহিদার সময় লোডশেডিং বাধ্যতামূলক করা হয়। তবে নতুন এফএসআরইউ এবং গ্যাসের চাপ বৃদ্ধির কাজ শেষ হলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে বলে দাবি করছে authorities।
দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটে日常生活 ও অর্থনৈতিক活动 ব্যাহত হচ্ছিল। প্রতিমন্ত্রীর এই সময়সীমার ঘোষণায় therefore, সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরবে বলে期望 করা হচ্ছে।

