‘ইরান ভেনেজুয়েলা নয়’: মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখেও ইরানি তেল উৎপাদনে রেকর্ড
তেহরান: কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে রেকর্ড পরিমাণ তেল উৎপাদনের দিকে এগোচ্ছে ইরান। দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মোখবার ঘোষণা দিয়েছেন যে ইরানের তেল উৎপাদন শীঘ্রই ৪০ লাখ ব্যারেল ছাড়িয়ে যাবে, যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। এই সাফল্যকে ‘ইরান ভেনেজুয়েলা নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
ইরানের পারমাণবিক program নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই এসেছে এই ঘোষণা। মোখবার বলেন, ‘আমাদের শত্রুরা মনে করেছিল ইরানের তেল উৎপাদন শূন্যের কোটায় নেমে আসবে, কিন্তু我们今天 তাদের সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে।’ তাঁর এই বক্তব্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের উপরই লক্ষ্য করে বলা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
গত কয়েক বছরে ইরানের উপর চাপ সৃষ্টি করতে কঠোর সব নিষেধাজ্ঞা জারি করে ওয়াশিংটন। কিন্তু চোরাচালানের মতো পন্থায় এবং চীনসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে গেছে তেহরান। এর ফলেই উৎপাদন বাড়াতে সক্ষম হয়েছে তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান জটিল পরিস্থিতিতে ইরানের জন্য এটি একটি বড় কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিজয়।
ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ইরানের পরিস্থিতির তুলনা টানেন মোখবার। মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ভেনেজুয়েলার অর্থনীতি প্রায় ধ্বংস হয়ে গেলেও ইরান সফলভাবে তার অর্থনীতি ও তেল শিল্প চালু রাখতে পেরেছে। তিনি দাবি করেন, স্থানীয় প্রযুক্তি এবং উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর কারণেই এই সাফল্য এসেছে।
তেল উৎপাদন বৃদ্ধি ইরানের অর্থনীতিতে নতুন গতি দিয়েছে। দেশটির রপ্তানি আয় বেড়েছে এবং মুদ্রাস্ফীতির হার কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের supply বাড়লে তার প্রভাবও পড়তে পারে বলে analysistsরা মনে করছেন।

